top of page
Search

মার্গসংগীতের জগতে নক্ষত্র পতন, ভিন রাজ্যে মকর সংক্রান্তি..


রাশিদ খান (১ জুলাই ১৯৬৮-৯ জানুয়ারি ২০২৪)

বহুবছর আগে প্রায় প্রতিটি দৈনিক সংবাদপত্রে একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হত, এক বিখ্যাত মার্গসংগীত কণ্ঠশিল্পী গান গাইছেন আর তাঁর পাশে একটি বাচ্চা বসে তালিম নিচ্ছে। সম্ভবত বিজ্ঞাপনটি ছিল, আইটিসি-ত সংগীত রিসার্চ অ্যাকাডেমির সংক্ষেপে এসআরএ। যাঁরা ভারতীয় মার্গসংগীত নিয়ে চর্চা করতেন কিংবা খোঁজখবর রাখতেন তাঁরা বলতেন, "এই বাচ্চাটি আগামী দিনের ভারতীয় মার্গসংগীতের রাজসিংহাসনে বসে রাজত্ব করবে। দশ-এগারো বছর বয়সেই তার গান শুনলে অবাক হতে হবে! বিস্ময় বালক বা child prodigy." পরে জানা যায়, বাচ্চাটির নাম রাশিদ খান আর দাদামশাই হলেন নিসার হুসেন খান। ভারতীয় মার্গসংগীতের জগতে এক উজ্জ্বল নাম। তিনিই রাশিদের সঙ্গীতের শিক্ষাগুরু।


যিনি বলেছিলেন, ভারতীয় মার্গসংগীতের রাজসিংহাসনে বসবেন, সেদিনকার সেই ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হয়েছিল। রাশিদ খানের গান সারা দেশ তো বটেই বিশ্বকে আলোড়িত করে, মুগ্ধ করে। পণ্ডিত ভীমসেন জোশী বলেছিলেন, "রশিদ খানের কণ্ঠ ভারতীয় মার্গসংগীতের ভবিষ্যৎ।" মাত্র দশবছর বয়স থেকে রাশিদ খানকে দেখেছেন প্রথিতযশা তবলাবাদক সমর সাহা। এক বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রে তিনি চমৎকারএকটি কথা বলেছেন, "শিল্পী হয়েই জন্মেছিল রাশিদ।" খুব সত্যি কথা, উস্তাদ হয়ে না-জন্মালে মাত্র ৫৫ বছর বয়সে সংগীত-বিশ্ব জয় করা যায় কী! তাছাড়া এত কাজ করা যায় না, গানও গাওয়া যায় না! রাশিদ নামের অর্থ জ্ঞানী, পরিপক্ক, ধার্মিক। রাশিদ নামের প্রতিটি অর্থ তাঁর ক্ষেত্রে খাটে। আলাদা করে বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন নেই। ধর্ম হল ধারণ করা। তাই রাশিদ ধার্মিকের অর্থ তিনি গানটি ধারণ করেছিলেন কণ্ঠে, তাঁর জীবনে। গানই ছিল তাঁর জীবন। রাশিদের বাড়িতে বসে তাঁর গান শোনার একবার সৌভাগ্য আমার হয়। সেইসময় কোনও একটি বড় অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল তাঁর বাড়িতে। অনেক রাত পর্যন্ত চলে ওঁদের সম্মিলিত মহড়া। আমি হংস মধ্যে বক যথা হয়ে বসে শুনলাম। আসলে, ওই অনুষ্ঠানটি নিয়ে লেখবার জন্য উপস্থিত ছিলাম ওই রিহার্সালে। রাশিদের গান মুগ্ধ করে রাখে সারা সন্ধ্যা। যাক গে সেসব কথা।

রাশিদের গায়কজীবনে প্রথম বড় আসরে গানের সুযোগ আসে দিল্লিতে। বিস্ময় বালকের বয়স তখন মাত্র এগারো। এরপরই দাদামশাই এবং শিক্ষাগুরু নিসার হুসেন খানের সঙ্গে চলে আসেন টালিগঞ্জে আইটিসি-র সংগীত রিসার্চ অ্যাকাডেমিতে। রাশিদের শুরু হয় তাঁর সংগীতজীবনের নতুন অধ্যায়। এই শহরেই রাশিদের সংগীত প্রতিভার বিকাশ বিচ্ছুরণ সবকিছুই।


কলকাতা তাঁকে প্রতিষ্ঠা, পরিচিতি, জনপ্রিয়তা, সংসার সবকিছুই দেয়। তাই পৃথিবীর যে-প্রান্তেই থাকুন না কেন তিনি বারবার ফিরে আসতেন কলকাতা। রাশিদের জন্ম উত্তরপ্রদেশের বদায়ূঁ জেলায়। গঙ্গার ধারে বদায়ূঁ। রাশিদ এক গঙ্গার তীর ছেড়ে চলে আসেন গঙ্গার অন্য এক তীরে কলকাতায়। রামপুর-সহসওয়ান ঘরানার যথার্থই উত্তরাধিকারী রাশিদ খান। এখানকার বাসিন্দা ছিলেন ইনায়েত হুসেন খান (১৮৪৯-১৯১৯)। যিনি ছিলেন রামপুর-সহসওয়ান ঘরানার প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর এই ঘরানা পরবর্তী সময়ে তাঁর কন্যা ও জামাতা অর্থাৎ পরিবারের মধ্যে দিয়ে বিকশিত হয়, পরিচিতি পায়। এই ইনায়েত হুসেন খানের বাবা মেহবুব খান ছিলেন রামপুর রাজদরবারের এক সংগীতশিল্পী। তিনি লক্ষ করেন সংগীতের প্রতি পুত্রের আগ্রহ। তাই তিনি প্রাথমিকভাবে তালিম দেন পুত্রকে। তারপর ওই রামপুর রাজদরবারেই সুরশৃঙ্গার বাদক উস্তাদ বাহাদুর খানের কাছে সংগীত শিক্ষার জন্য দেন পুত্র ইনায়েতকে। শোনা যায়, উস্তাদ বাহাদুর খান নাকি ছিলেন তানসেনের বংশধর। প্রথম শ্রেণির বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র থেকে জানা যায়, ইনায়েত হুসেন খানের কণ্ঠমাধুর্য আকৃষ্ট করেছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, 'তুমি কেমন করে গান কর হে গুণী,'। রাগ খাম্বাজ।


রাশিদ খানের জন্ম বিশাল এক ভারতীয় মার্গসংগীত পরিবারে। তিনি ছিলেন ওস্তাদ গোলাম মুস্তফা খানের ভাগ্নে। উস্তাদ গোলাম মুস্তফা খান ছিলেন ভারতীয় মার্গসংগীতে এক প্রবাদপ্রতিম শিল্পী। কথায় আছে, 'নারানাং মাতুল ক্রম'। রাশিদের রক্তে স্রোতের মতো বহমান ছিল সংগীত। তাই রাশিদ খানের জীবনজুড়ে ছিল সংগীতপ্রভ। রাশিদ খান সংগীতকে অবলম্বন করে সন্ন্যাসীর মতো পরিভ্রমণ করতেন সুর থেকে সুরে, গান থেকে গানে।


রাশিদ খান চলে গেলেন মাত্র ৫৫ বছর বয়সে! যে-বয়সে অনেকেই শুরু করেন, সেই বয়সে...! তবে একটা কথা, শিল্পী চলে যান শরীরে, থেকে যান তাঁর সৃষ্টিতে, তাঁর ফেলে-যাওয়া শিল্পে। রাশিদ খান চলে গেছেন তাঁর শরীর রেখে। যে-শরীর শুয়ে আছে মাটির নীচে বদায়ূঁতে তাঁর জন্মস্থানে। তাঁর পিতা-মাতা, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে। তাঁর কণ্ঠ গচ্ছিত আমাদের কাছে, সংগীতপ্রেমীদের কাছে। বেঁচে থাকবে কত কত সহস্র সহস্র বছর।


রাশিদ খান ২০০৬-এ পদ্মশ্রী এবং সঙ্গীত নাটক অকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০২২-এ শিল্পকলার ক্ষেত্রে ভারত সরকার কর্তৃক দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মভূষণে সম্মানিত হন। এছাড়াও পেয়েছেন-- ২০১০-এ গ্লোবাল ইন্ডিয়ান মিউজিক অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড, ২০১২-য় মহাসংগীত সম্মান, ২০১৩-য় মির্চি মিউজিক অ্যাওয়ার্ড।


নিজস্ব প্রতিনিধি


ভিন রাজ্যে মকর সংক্রান্তি এবং পিঠে পুলি

সেই প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে মকর সংক্রান্তির উৎসব। তবে, সুস্পষ্টভাবে তেমন কোনও তথ্য হাতে নেই। হতে পারে, এটা হাজার বছরের উৎসব বা তারও আগের। তবে এর উল্লেখ আছে পুরাণে। মকর সংক্রান্তির এই মহাতিথিতেই মহাভারতের পিতামহ ভীষ্ম শরশয্যায় ইচ্ছামৃত্যু গ্রহণ করেছিলেন। আবার অন্য মত অনুযায়ী, এই দিনই দেবতাদের সঙ্গে অসুরদের যুদ্ধ শেষ হয়েছিল। বিষ্ণু অসুরদের বধ করে তাদের কাটা মুন্ডু মন্দিরা পর্বতে পুঁতে দিয়েছিলেন। তাই মকর সংক্রান্তির দিনই সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাশ হয়ে শুভ শক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে তা আজও মানা হয়ে থাকে। আবার অন্য মতে, সূর্য এ দিন নিজের ছেলে মকর রাশির অধিপতি শনির বাড়ি একমাসের জন্য ঘুরতে গিয়েছিলেন। তাই এই দিনটিকে বাবা-ছেলের সম্পর্কের একটি বিশেষ দিন হিসেবেও ধরা হয়।

সংক্রান্তি অর্থ সঞ্চার বা গমন করা। সূর্যের এক রাশি হতে অন্য রাশিতে সঞ্চার বা গমন করাকেও সংক্রান্তি বলা যায়। সংক্রান্তি শব্দটি বিশ্লেষণ করলেও একই অর্থ পাওয়া যায়। সং+ক্রান্তি, সং অর্থ সঙ সাজা এবং ক্রান্তি অর্থ সংক্রমণ। অর্থাৎ, ভিন্ন রূপে সেজে অন্যত্র সংক্রমিত হওয়া বা নতুন সাজে, নতুন রূপে অন্যত্র সঞ্চার হওয়া বা গমন করাকে বোঝায়। সূর্য এ দিনই ধনু থেকে মকর রাশিতে প্রবেশ করে। এর থেকেই মকর সংক্রান্তির উদ্ভব।

ভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন নামে, আচার-অনুষ্ঠানে সংক্রান্তির দিনটি পালিত হয়। নব উৎপাদিত শস্যে মিষ্টান্ন তৈরি করে সূর্যকে উৎসর্গ করা, ধন্যবাদ জানানো হয়ে থাকে। ভিন্ন ভিন্নরকম প্রাদেশিক পিঠে-পুলির পাকপ্রণালী রইলো আজ।

মহারাষ্ট্র (মকরা সংক্রান্তি)


পুরাণ পোলি


কী কী লাগবে:


ময়দা: ২ কাপ

আটা: ২ কাপ

ঘি: ৫ টেবিল চামচ

মৌরি: ১ চা চামচ

আদাগুঁড়ো: আধ চা চামচ

জায়ফল: এক চিমটে

ছোলার ডাল: ১ কাপ

গুড়: আধ কাপ

ছোট এলাচগুঁড়ো: আধ চা চামচ




কীভাবে বানাবেন:


প্রথমে সমপরিমাণ আটা, ময়দা, সামান্য নুন এবং ঘি মিশিয়ে জল দিয়ে মেখে নিন। আধঘণ্টা মেখে রেখে দিতে পারলে ভাল হয়। এবার ভিজিয়ে রাখা ছোলার ডাল সিদ্ধ করে নিন। খেয়াল রাখতে হবে ডাল যেন খুব ভাল করে সিদ্ধ হয়। কড়াইয়ে ঘি গরম হলে তার মধ্যে মৌরি ফোড়ন দিন। এবার দিন আদাগুঁড়ো, সামান্য জায়ফল এবং ছোট এলাচের গুঁড়ো। সামান্য ভাজা হলেই সেদ্ধ করা ছোলার ডাল দিয়ে দিন। সামান্য নাড়াচাড়া করে গুড় দিয়ে ভাল করে মেশাতে থাকুন। নাড়তে নাড়তে ডাল একেবারে শুকনো হয়ে যাবে। চাইলে হাত দিয়ে ভাল করে মেখে নিতেও পারেন। এবার ময়দা থেকে লেচি কেটে নিয়ে তার মধ্যে ডালের পুর ভরে দিন। ময়দার গুঁড়ো ছড়িয়ে, পরোটার মতো বেলে নিন। চাটুতে প্রথমে সেকে নিয়ে তারপর ওপর থেকে ঘি ছড়িয়ে একে একে ভেজে তুলুন। নিরামিষ আলুর দম কিংবা ছানার ডালনা দিয়ে গরম গরম পুরাণ পোলি পরিবেশন করুন।

গুজরাট (উত্তরায়ণ)


তিল চিক্কি


কী কী লাগবে:


সাদা তিল- ২০০ গ্রাম

আখের গুড়- ২০০ গ্রাম

জল-১/২ কাপ

ঘি- ১ চামচ

চিনেবাদাম- ১ কাপ


কীভাবে বানাবেন:


তিল পরিষ্কার করে ভেজে নিতে হবে। এবার প্যানে জল দিয়ে তাতে গুড় দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার ওর মধ্যে তিলভাজা দিয়ে নাড়তে থাকুন। ভালোভাবে পাক হলে ২ মিনিট পর নামিয়ে নিন। ভাজা চিনেবাদাম মিশিয়ে ঘি মাখানো থালায় ছড়িয়ে দিন। ঠান্ডা হলে টুকরো করে কেটে পরিবেশন করুন।




অন্ধ্রপ্রদেশ (পেড্ডা পাণ্ডুগা)


পোঙ্গাল


কী কী লাগবে:


১ কাপ লাল চাল

২/৩ কাপ মুগ ডাল

স্বাদমতো নুন

২ টেবিল চামচ ঘি

১.৫ চা চামচ গোটা জিরা

১/২ চা চামচ মরিচ

২টো কাঁচালঙ্কা চেরা

১০-১২টি কারিপাতা

১.৫ টেবিল চামচ আদা গ্রেটেড

৮-১০টি কাজু

১ চা চামচ চিনি

পরিমাণমতো জল


কীভাবে বানাবেন:

মুগ ডাল আর চাল আলাদা করে খুব ভালো করে ধুয়ে ১/২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।

প্রেসার কুকারে চাল-ডাল আর পরিমাণমতো জল দিয়ে তিন থেকে চারটি সিটি দিতে দিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে।

একটি বড় করে কড়াইয়ে ঘি গরম করে তার মধ্যে কারিপাতা গোটা জিরে মরিচ কাঁচালঙ্কা কাজু ও গ্রেট করা আদা দিয়ে পনেরো-কুড়ি সেকেন্ড নাড়াচাড়া করে সুন্দর গন্ধ বের হলে সিদ্ধ করা চাল ডাল দিতে হবে। খুব ভালো করে নাড়াচাড়া করে মিশিয়ে নিতে হবে।

অল্প মিষ্টি দিয়ে পুরোটা ঘন করে নিতে হবে। গ্যাস অফ করে পাঁচ মিনিট স্ট্যান্ডবাই রেখে দিতে হবে চাপা দিয়ে। গরম গরম পোঙ্গাল ওপর থেকে ঘি ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।

পাঞ্জাব (লোহরি)


গুড় বাদাম


কী কী লাগবে:


আখের গুড় ৫০০ গ্রাম

চিনেবাদাম ৩০০ গ্রাম

রোস্টেড সাদা তিল ১ কাপ


কীভাবে বানাবেন:


গুড় ধিমে আঁচে জ্বাল দিয়ে বাকি উপকরণ মেশান। অল্প ঠান্ডা হলে ভেঙে টুকরো টুকরো করে পরিবেশন করুন।

আসাম (মাঘ বিহু)


ভাপা পিঠে


কী কী লাগবে:


চালের গুঁড়ো: ৩ কাপ

নুন: পরিমাণমতো

খেজুর গুড়: ছোট ১ বাটি

কোরানো নারিকেল: ১ বাটি


কীভাবে বানাবেন:

প্রথমে চালের গুঁড়ো একটু লবণ ও হালকা গরম জলে দিয়ে মেখে চালুনি দিয়ে চেলে নিতে হবে। ছোট বাটিতে প্রথমে চালের গুঁড়ো এরপর গুড় দিন তার ওপরে নারিকেল দিয়ে আবার চালের গুঁড়ো দিয়ে ঢেকে দিন। পাতলা সাদা কাপড় দিয়ে পিঠেটা মুড়ে ভাপা পিঠের পাত্রের জল ফুটে উঠলে তার ওপরে বসিয়ে দিয়ে বাটিটি উঠিয়ে নিয়ে পিঠেটা কাপড় দিয়ে ভালোমতো ঢেকে রাখুন। ওপরে একটা ঢাকনা দিন। তিন মিনিট পর পিঠে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

পশ্চিমবাংলা (পৌষ সংক্রান্তি)


পাটিসাপটা


কী কী লাগবে:


খোল তৈরির জন্য

চালের গুঁড়ো: ১ কাপ

ময়দা: ১ কাপ

জল: ১ কাপ

খেজুর গুড়: ২-৩ চা চামচ


পুর তৈরির জন্য

দুধ: ১ লিটার

কিশমিশ: ৭-৮টি

নারকেল কোরানো: ১ কাপ

চিনি বা গুড়: ১ কাপ

এলাচ: ২টি


কীভাবে বানাবেন:


প্রথমে ময়দা, চালের গুঁড়ো, গুড় আর জল মিশিয়ে পাতলা করে একটি গোলা তৈরি করে রেখে দিন। এর পর ক্ষীর বানাতে শুরু করুন।

একটি পাত্রে এক লিটার দুধ নিয়ে তা টানাতে থাকুন। দুধ শুকিয়ে দু’কাপ মতো হয়ে এলে তাতে কিশমিশ, নারিকেল কোরা আর চিনি মিশিয়ে দিন। এর পরে একটি কাপে অল্প জলের মধ্যে দু’চামচ চালের গুঁড়ো গুলে নিয়ে মিশিয়ে দিন। ক্ষীর ঘন হয়ে এলে ভালভাবে নাড়তে থাকুন। ক্ষীর বেশ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।

এবার একটি নন স্টিক প্যানে কয়েক ফোঁটা তেল দিয়ে গরম করে নিন। তাওয়া গরম হয়ে এলে তাতে একটি বড় হাতায় করে চালের গুঁড়ো আর ময়দার গোলা ছড়িয়ে দিন। রুটির মতো সেকা হয়ে এলেই এক পাশে পুর দিন, তারপর মুড়িয়ে দিন। আর একটু সেকে নিয়ে পাটিসাপটা নামিয়ে নিন।

Comments


bottom of page