top of page
Search

মহানিষ্ক্রমণের পথে... ১০ টি অন্যরকম জলখাবার..

মহানিষ্ক্রমণের পথে..

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মহানিষ্ক্রমণ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। কেবলমাত্র প্রতিটি বাঙালির কেন, প্রায় প্রতিটি ভারতীয়ের কাছে আজ আর অজানা নয়। তবুও আরও একবার ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনে পুনরায় জানিয়ে দেওয়া পাঠকদের।



১৯৪০-এর জুলাই মাসের গোড়া থেকে সুভাষচন্দ্র বসু বন্দি ছিলেন প্রেসিডেন্সি জেলে। নভেম্বর মাসে শুরু করলেন আমরণ অনশন। ইংরেজরা প্রচণ্ড ঘাবড়ে গিয়ে ৫ ডিসেম্বর তাঁকে পাঠিয়ে দিল এলগিন রোডের বাড়িতে। সুভাষচন্দ্র বসু একটি চিঠিতে লিখেছিলেন, 'Release me or I shall die so that the nation may live. Today I must die so that India may live and may win freedom and glory'.

ইংরেজরা অবশ্যই চায়নি জেলে সুভাষচন্দ্র বসুর কিছু অঘটন ঘটুক। তাই তদানীন্তন বাংলার গভর্নর জন হার্বাট ভাইসরয় লিনলিথগোকে জানিয়েছিলেন যে, তাঁরা cat and mouse বা ইঁদুর-বিড়াল খেলার নীতি গ্রহণ করবেন সুভাষচন্দ্র বসুর ব্যাপারে। যেই তিনি একটু ভাল হয়ে উঠবেন অমনি তাঁকে গ্রেফতার করা হবে। সুভাষচন্দ্র বসু পৌঁছলেন এলগিন রোডের নিজের বাসভবনে। যে-বাড়িটি বর্তমানে সকলের কাছে পরিচিতি নেতাজি ভবন হিসেবে।

অনেক পরিকল্পনার পর অতঃপর ১৯৪১-এর ১৬ জানুয়ারি তিনি কলকাতা ত্যাগ করলেন ছদ্মবেশে। সেটাই ছিল নেতাজি হিসেবে আত্মপ্রকাশ হওয়ার প্রথম ধাপ। ওইদিন রাতে, ভাইপো ডাঃ শিশিরকুমার বসু মধ্যরাতে তার রাঙা কাকাবাবুকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন কলকাতার ৩৮/২ এলগিন রোডের বাড়ি থেকে। সেটাই ছিল মহানিষ্ক্রমণের প্রথম পর্ব।

প্রায় ১৪জন ইন্টেলিজেন্ট এজেন্ট এলগিন রোডের বাড়িটা ঘিরে রেখেছিলেন, কিন্তু আসল পরিকল্পনার কথা তাঁরা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি। ১৬ জানুয়ারির মধ্যরাত ১টা ৩৫ মিনিটে সুভাষচন্দ্র বসু জিয়াউদ্দিনের ছদ্মবেশে বেরিয়ে পড়লেন তাঁর ঘর থেকে। গ্র‍্যান্ড ট্রাংক রোড ধরে হাওড়া, চন্দননগর, বর্ধমান, দুর্গাপুরের জঙ্গল পেরিয়ে পরদিন রাতে পৌঁছলেন ধানবাদের কাছে বারারিতে। ১৭ জানুয়ারি গাড়ি ছুটল গোমোর দিকে। গোমো স্টেশন। ধরলেন কালকা মেল, চললেন দিল্লি অভিমুখে।

দিল্লি থেকে চলে যান পেশোয়ার। পেশোয়ারে তাঁর অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরই সহকর্মী আকবর শাহ। ওই পেশোয়ার থেকে আকবর শাহের সহায়তায় কাবুল পৌঁছে যান সুভাষচন্দ্র বসু। সেখান থেকে তার পরে ইউরোপ। যদিও, তার কয়েকবছর বাদে দেশে ফিরে আসেন তিনি। ইউরোপ থেকে এশিয়া। এসেছিলেন সাবমেরিনে চেপে। ১৯৪৩-এ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় গঠন করেন আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন।

নেতাজি নিজে কিন্তু সবসময় বলতেন, তাঁর পরিবার এবং দেশ এক। ইতিমধ্যে বহুদিন জেলবন্দি থাকার পর শিশির বসু লালপুরের জেল থেকে ছাড়া পেলেন সেপ্টেম্বর ১৯৪৫-এ। তিনি একটা ধ্বনি শুনেছিলেন লাহোরে, বোস খানদান জিন্দাবাদ। লাহোর থেকে কলকাতা ফিরে আসবার পর, এসব কথা বলায় তাঁর পিতা শরৎচন্দ্র বোস বলেছিলেন, "এইসব ধ্বনি যেন তোমার মাথা ঘুরিয়ে না দেয়। তুমি মেডিক্যাল কলেজে পড়ছিলে, ফিরে যাও, পড়াশোনা শেষ করো, ডাক্তার হও। তারপরে দেশের কাজ করতেই পারো। কারণ, মনে রাখবে, এটা কিন্তু আর কিছুই নয়, এটা হচ্ছে Subhas’s reflected glory."


নিজস্ব প্রতিনিধি



অন্যরকম জলখাবার...

স্বাগতা সাহা

লিট্টি চোখা


কী কী লাগবে

লিট্টির জন্য:

আটা ১ কাপ, সাদা তেল ৩ টেবিল চামচ, ছাতু-২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ-১টা বড় (কুচনো), রসুন ৫ কোয়া(কুচনো), আদা ১ ইঞ্চি(বাটা), কাঁচালঙ্কা ১টা(কুচনো),জিরে ১ চা চামচ, জোয়ান ১ চা চামচ, আমচূর পাঊডার ১ চা চামচ, ঘি ২০০ গ্রাম (গলানো), নুন স্বাদ মতো, জল পরিমান মতো

চোখার জন্য:

বেগুন, টমেটো, আলু, পেঁয়াজ কুচি, আথা রসুন কুচি, ধনেপাতা কুচি, সরষের তেল, নুন




কীভাবে বানাবেন

আটা ও তেল একসঙ্গে মিশিয়ে পরিমাণ মতো জল দিয়ে ভালো করে মেখে নিন। ঢেকে কিছুসময় রেখে লেচি কেটে নিন। পুরের সব উপকরণ একসঙ্গে জল দিয়ে মিশিয়ে নিন। লেচির মধ্যে আঙুলের চাপে গর্ত করে পুর ভরে গোল বল তৈরি করে নিন অথবা পুর ভরা লেচি ছোট ছোট রুটির আকারে বেলে নিন। নিয়ম অনুযায়ী এইসব বল বা রুটি কয়লার গনগনে আঁচে সেঁকা হয়। সম্ভব না হলে চিমটা দিয়ে ধরে গ্যাসের আগুনেই সেঁকে নিন বা রুটির মতো চাটুতে সেঁকে নিন। সেঁকা হলে লিট্টি ভেঙে মাঝখানে অল্প ঘি দিয়ে চোখা ও ধনেপাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করুন।

চোখা বানানোর জন্য:

বেগুন ও টমেটো আঁচে সেঁকে ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে নিন। একটা বাটিতে বেগুন, টমেটো, আলু সেদ্ধ, আদা, রসুন, ধনেপাতা, লঙ্কা ও তেল একসঙ্গে ভাল করে মেখে চোখা বানিয়ে নিন।

নুন দিয়ে জারানো কাঁচালঙ্কা, কাঁচা পেঁয়াজ, টমেটোর চাটনি বা ধনেপাতার চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম লিট্টি চোখা।

মেদু বড়া


কী কী লাগবে

সাদা বিউলির ডাল (খোসা ছাড়ানো) ২৫০ গ্ৰাম, সাদা তেল ৫০০ গ্ৰাম, কাঁচা লঙ্কা ৬ টি, নারকেল কোরানো ৩ টেবিল চামচ, কাজুবাদাম কুচি ৩ টেবিল চামচ, চাল গুঁড়ো ২ চা চামচ, কারিপাতা কয়েকটা, নুন স্বাদ মত, হিং


কীভাবে বানাবেন


ডাল ভিজিয়ে রেখে জল ঝরিয়ে কাঁচালঙ্কা, কারিপাতা বেটে নিন। ওর মধ্যে হিং, নারকেল কোরা, কাজুবাদাম কুচি, চাল গুঁড়ো একসাথে ফেটিয়ে নিন। রিং এর শেপে গড়ে ডুবো তেলে সোনালী করে ভেজে তুলে নিন। সাম্বার ও চাটনির সাথে পরিবেশন করুন।



চিজি আলু পনির পরোটা


কী কী লাগবে


আলু ৩ টে বড় সাইজের, পনির ২০০ গ্ৰাম, চিজ ১৫০ গ্ৰাম, কাঁচালঙ্কা ৮ টি, পেঁয়াজ ১ টি বড়ো মিহি করে কুচানো, রসুন ৪ কোয়া মিহি করে কুচোনো, ধনেপাতা মিহি করে কুচোনো বড় চামচ এর ৫ চামচ, আটা ৫০০ গ্ৰাম, গোলমরিচ ১ চা চামচ, সাদা তেল পরিমাণ মতো, নুন ও চিনি স্বাদমতো


কীভাবে বানাবেন


আটা, নুন, তেল ভালো করে মিশিয়ে পরিমাণ মতো জল দিয়ে মেখে রাখুন। আলু সেদ্ধ করে ভালো করে চটকে তার সাথে পনির মিশিয়ে নিন। তেল গরম করে একে একে রসুন কুচি, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি দিয়ে ভাজুন। মিশিয়ে রাখা আলু ও পনিরের মিশ্রন, নুন, চিনি, গোলমরিচ গুঁড়ো, চিজ, ধনেপাতা কুচি ভালো করে মিশিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে আটার লেচি কেটে তার মধ্যে পুর রেখে পরোটা গুলো বেলে নিন। তাওয়া তে তেল দিয়ে মুচমুচে করে ভেজে তুলে নিলেই তৈরী। আচার ও মেয়োনিজ এর সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন।

মিক্সড চাউমিন


কী কী লাগবে


সেদ্ধ চাউমিন ১ প্যাকেট, কুচোনো পেঁয়াজ ৩টি, কুচোনো রসুন ৮-৯ কোয়া, লম্বা করে কাটা সবুজ ক্যাপসিকাম ১ টি, লম্বা করে কাটা গাজর ১ টি, ঝুরি ঝুরি করে কাটা বাঁধাকপি ১/৪ ভাগ, কুচি করে কাটা বিন্স অল্প, চিকেন টুকরো করে সেদ্ধ করা ২০০ গ্ৰাম, চিংড়ি মাছ ভাজা অল্প, ডিমের ভুজিয়া ২ টি ডিমের, টুকরো করে কাটা পনির ১৫০ গ্ৰাম, সাদা তেল পরিমাণ মতো, টমেটো সস, চিলি সস, সয়া সস ৩ টেবিল চামচ করে, নুন, চিনি স্বাদমতো, গোলমরিচ গুঁড়ো ২চামচ, কাঁচালঙ্কা কুচি ৬টি, স্প্রিং অনিয়ন কুচি করে কাটা অল্প


কীভাবে বানাবেন


তেল গরম করে কুচোনো সব সবজি, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি, রসুন কুচি, নুন, চিনি, গোলমরিচ গুঁড়ো সতে করে নিন। সেদ্ধ চিকেন, ভাজা চিংড়ি মাছ, ডিমের ভুজিয়া, পনির, তিনরকম সস নেড়েচেড়ে সেদ্ধ চাউমিন মেশান। স্প্রিং অনিয়ন কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

পার্টি মিনি স্যান্ডউইচ


কী কী লাগবে


পউরুটি ৬ পিস (চারপাশ কেটে নেয়া), চিজ স্লাইস ৪ টে, ডিমসিদ্ধ ২ টি, মেয়নিজ ১/২ কাপ, পেঁয়াজ, গাজর, টমেটো, শশা পাতলা স্লাইস করা, লেটুস ও কাঁচালঙ্কা ইচ্ছামত, টমেটো সস ১/২ কাপ, গোলমরিচ গুঁড়ো ১ চামচ, নুন ১ চামচ, বাটার ১/২ কাপ


কীভাবে বানাবেন


পাউরুটির চারপাশের বাদামি অংশ কেটে নিন। এরপর প্যানে বাটার দিয়ে পাউরুটিগুলি ভালো করে সেঁকে নিন। সেঁঁকে নেওয়া পাউরুটির গায়ে পুরু করে মেয়োনিজ লাগিয়ে নিন। এবার একপিস পাউরুটি রেখে এর উপরে চিজ্স্লাইস রেখে উপরে লেটুস পাতা দিন এবং এক এক করে পেঁয়াজ, গাজরের স্লাইস নুন ও গোলমরিচ গুড়ো ছড়িয়ে দিন। এর উপর আবার একটি মেয়োনিজ মাখানো পাউরুটির স্লাইস দিয়ে ডিমসেদ্ধর স্লাইস, টমেটো, শশা আর একটি চিজ্স্লাইস দিন। এরপর একটি লেটুসপাতা দিয়ে এর উপর সামান্য টমেটো সস আর নুন গোলমরিচ গুড়ো ছড়িয়ে দিন। সবশেষে মেয়োনিজ মাখানো পাউরুটির সেঁকে নেয়া পাশ নিচের দিকে রেখে ঢেকে দিন। এবার স্যান্ডউইচে টুথপিক গেঁথে ছুরি দিয়ে পছন্দসই শেপে কেটে নিন। বাকি স্যান্ডউইচটিও এভাবে তৈরি করে নিন। সবশেষে মেয়োনিজ বা পছন্দসই সস্ সহ পরিবেশন করুন যেকোন ঘরোয়া পার্টির জন্য পার্টি মিনি স্যান্ডউইচ।

তনুজা আচার্য

আলু টমাটর কি সবজি


কী কী লাগবে


আলু ৪-৫ সেদ্ধ, পেঁয়াজ ১ টা কুচোনো,আদা বাটা ১ চা চামচ, হিং ১/২ চা চামচ, টমেটো ৩ টে কুচোনো, রসুন ২-৩ কোয়া কুচোনো, লাল লঙ্কা গুঁড়ো ১ চা চামচ, গোটা ধনে ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়ো ১ চামচ, গোটা জিরে ১ চা চামচ, ঘি ১ চা চামচ, কাঁচালঙ্কা ২ টি, শুকনো লঙ্কা ১ টা, ধনেপাতা কুচি ১ চা চামচ, নুন স্বাদ মতো


কীভাবে বানাবেন


কড়াই তে ঘি গরম করে তাতে গোটা জিরে, গোটা ধনে, কাঁচালঙ্কা, শুকনো লঙ্কা আর হিং ফোড়ন দিন। এবারে একে একে পেঁয়াজ কুচি , আদা বাটা আর রসুন কুচি দিয়ে ভাল করে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে এলে টমেটো কুচি দিয়ে ভাল করে কষান। লাল লঙ্কাগুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, নুন দিয়ে ভালো করে কষে সেদ্ধ আলু গুলো ছোট ছোট করে কেটে দিয়ে দিন। জল ঢেলে ঢেকে রান্না হতে দিন। ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে গরম গরম কচুরির সাথে পরিবেশন করুন।

সেঙ্গা চাটনি


কী কী লাগবে


কাঁচা বাদাম ৫০ গ্রাম, কারিপাতা ১০ টা, রসুনের কোয়া ৬ টা, শুকনো লঙ্কা ২ টি, ছোলার ডাল ১ চা চামচ, বিউলির ডাল ১ চা চামচ, তেঁতুল ১/২ চামচ, নারকেল কোড়া ২ চা চামচ, নুন স্বাদ মতো, তেল দেড় চা চামচ, জল প্রয়োজন মতো, গোটা সর্ষে ১/২ চা চামচ


কীভাবে বানাবেন


প্রথমে শুকনো খোলায় বাদাম ভেজে নিন। এরপর তাতে শুকনো লঙ্কা, রসুন, কারি পাতা, দু রকমের ডাল, অল্প তেল দিয়ে একটু ভেজে নিন। এবার মিক্সিতে ভাজা মশলা, নারকেল কোরা, তেঁতুল, নুন আর পরিমান মতো জল দিয়ে ভালো করে মিক্সি তে বেটে নিয়ে একটা পাত্রে ঢালুন। কড়াইতে অল্প তেল গরম করে কারিপাতা, সর্ষে, আর শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে চাটনির ওপর ঢেলে দিন। ইডলি বা ধোসার সাথে ভালো লাগবে।

হোয়াইট সস পাস্তা


কী কী লাগবে


পাস্তা ১ কাপ, ক্যাপ্সিকাম ১/২ লম্বা করে কাটা, মাশরুম ৩-৪ টে লম্বা করে কাটা, সুইটকর্ণ ২ চামচ, পেঁয়াজ ১টা ছোট, মিক্সড হার্ব ১ চামচ, গোলমরিচ গুঁড়ো ১/২ চামচ, চিজ ১/২ কাপ বা স্লাইস ৩-৪ টে, মাখন ১ চামচ, দুধ পরিমান মতো, ময়দা ১ চামচ, নুন স্বাদমতো


কীভাবে বানাবেন


পাস্তা নুন দিয়ে সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে রাখুন। এবার কড়াই তে মাখন, কেটে রাখা সব্জি, নুন দিয়ে হালকা আঁচে ভাজুন। সব্জি নরম হলে তাতে পরিমান মতো দুধ আর ময়দা দিন। একটু ঘন হয়ে এলে তাতে চিজ আর সেদ্ধ পাস্তা দিয়ে নাড়তে থাকুন। মিক্সড হার্ব, গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে ইচ্ছে মতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

সুজির আপ্পে


কী কী লাগবে


সুজি ১ কাপ, টক দই ১/২ কাপ, আদা বাটা ১/২ চামচ, কাঁচা লঙ্কা ১ টা কুচোনো, পেঁয়াজ ১টা কুচোনো, ধনে পাতা কুচি ২ চামচ, কারিপাতা ৫-৬ টা কুচোনো, জল ১/২ কাপ, তেল প্রয়োজন মতো, নুন স্বাদ মতো।


কীভাবে বানাবেন


একটি পাত্রে সুজি, দই , নুন আর জল দিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এবার আদা বাটা, কাঁচা লঙ্কা কুচি, ধনেপাতা কুচি, কারি পাতা, পেঁয়াজ কুচি অল্প তেলে একটু ভেজে নিন। ওর মধ্যে সুজির মিশ্রন দিয়ে ভালো করে নেড়ে চেড়ে ঢেকে রাখুন। এবার আপ্পে প্যান এ তেল গরম করে ছোট ছোট আপ্পে উল্টেপাল্টে ভেজে তুলে নিন। নারকেল চাটনি বা পিনাট চাটনির সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন।

বেকড মাশরুম


কী কী লাগবে

বোতাম মাশরুম – ১০-১২

সুইট কর্ণ – ১/২ কাপ

টমেটো – ১

পেঁয়াজ -১

মিক্সড হার্ব – ১ চামচ

নুন – স্বাদ মত

গোলমরিচ গুঁড়ো – ১ চামচ

রসুন বাটা - ১ চামচ

তেল – প্রয়োজন মত

ধনেপাতা কুচি

মোজারেলা চিজ - প্রয়োজন মত


কীভাবে বানাবেন

প্রথমে মাশরুম গুলো কে ভাল করে পরিষ্কার করে নিন। এবার মাশরুম এর ডাটা গুলো আলাদা করে ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার মাশরুম এর ডাটা গুলো কুচি করে কেটে নিন। পেঁয়াজ কুচি, টমেটো কুচি করে রাখুন। কড়াই তে অল্প তেল গরম করে, সব কাটা সব্জি, সুইট কর্ন, নুন, গোলমরিচ গুঁড়ো, রসুন বাটা, মিক্সড হার্ব দিয়ে ভাল করে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে পরিস্কার করা মাশরুম এর মধ্যে পুর ভরুন। সব কটা মাশরুমে পুর ভরা হয়ে গেলে,ওপরে চিজ ছড়িয়ে অল্প তেল বুলিয়ে দিন।

এবার ওভেন ১৮০ ডিগ্রি তে গরম করে ১৫ মিনিট বেক করুন। একটা পাত্রে সাজিয়ে ওপর থেকে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন বেকড চিজ মাশরুম।




bottom of page