top of page
Search


বাঙালির শুক্তো-প্রেম নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। প্রায় হারিয়ে যাওয়া এক শুক্তোর রেসিপি দিলেন সোমঋতা দে।
বাঙালির শুক্তোপ্রেম নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই, এ যেন ভাতের প্রথম পাতে চিরচেনা এক অনিবার্য উপস্থিতি। তেঁতোর মৃদু পরশে শুরু হয় আহার, আর সেই তেতোর ভেতরেই লুকিয়ে থাকে ঘরোয়া স্নেহ, পরম্পরা আর রুচির সূক্ষ্ম বোধ। উচ্ছে, করলা, কাঁচকলা, আলু, বেগুন, নানান সবজির মিলনে, সরষে-ফোড়নের গন্ধে, কখনও বা ডালের বড়ি মিশে শুক্তো হয়ে ওঠে এক নিখুঁত সমাহার। কারও বাড়িতে দুধ দিয়ে হালকা মিষ্টি স্বাদ, কোথাও আবার শুধু নুন-মিষ্টি-তেঁতোর ভারসাম্য, প্রতিটি ঘরের শুক্তোর আলাদা চরিত্র। তবে শেষ পর্যন্ত, শুক্তো

রোজকার অনন্যা
Feb 271 min read


গরম গরম ভাতের পাশে থাক ঠাকুরবাড়ির রন্ধনশৈলীতে তৈরি বিট বাটা। রেসিপি দিলেন অনিন্দিতা রায় সান্যাল।
বাঙালি রান্নায় নতুনত্ব আনার ঐতিহ্য বহু পুরনো। কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি-তেই নাকি আমিষ নিরামিষ নানা পদ নিয়ে চলত নিত্য পরীক্ষানিরীক্ষা। সেই সৃজনশীলতার ফসল বহু অভিনব রেসিপি, তারই একটি এই সহজ অথচ ব্যতিক্রমী বিট বাটা। রোজকার ডাল তরকারির ভাতের পাতে একঘেয়েমি এলে, বা গরমের দিনে তেতো খেতে মন না চাইলে, এই হালকা ঝাল-মিষ্টি স্বাদের বিট বাটা হতে পারে চমৎকার বিকল্প। কী কী লাগবে সেদ্ধ বিট ১ কাপ, সর্ষে ১ টেবিল চামচ, পোস্ত ১ টেবিল চামচ, কাঁচালঙ্কা ২-৩টি, কালোজিরে ১/২ চা চামচ, Shalimar's

রোজকার অনন্যা
Feb 231 min read


গরম ভাতে পুঁই মিটুলির অনন্য এই পদ, জিভে জল আনবে সবার! রেসিপি দিলেন মনমিতা কুণ্ডু।
শীতকাল মানেই টাটকা সবজির সম্ভার। এই সময়ের সবজির স্বাদই আলাদা অল্প মশলায়, হালকা রান্নাতেই যেন অমৃত হয়ে ওঠে। তেমনি একটি পদ হলো পুঁই শাকের বীজ বা পুঁই মিটুলি। এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং এতে পুঁইশাকের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি আঁশ থাকে। এতে ভিটামিন A, B ও C, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম ও জিঙ্ক রয়েছে যা শরীরের বৃদ্ধি, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ও রক্তস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। উচ্চ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে এবং হেমোরয়েডের ঝুঁকি হ্রাস করে। এটি মেটাবলিজম সচল রাখতে, রক্তে চর

রোজকার অনন্যা
Feb 231 min read


প্রথমপাতে স্বাদ বদলাতে এই পদটি বানিয়ে ফেললে ছোট থেকে বড় সকলেই চেটেপুটে খাবে। রেসিপি দিলেন কেয়া দত্ত গুহ।
সজনে ফুলের হালকা তেঁতো স্বাদ আর বেগুনের মোলায়েম টেক্সচার তার সঙ্গে পোস্তর সুগন্ধ মিলে তৈরি হয় অনন্য এই পদ। কম মশলায়, সর্ষের তেলের ঝাঁঝে রাঁধা এই রান্না গরম ভাতের সঙ্গে অসাধারণ লাগে। বসন্তের মরশুমে সজনে ফুল পেলে একবার এই পদ বানিয়েই দেখুন। কী কী লাগবে সজনে ফুল ২০০ গ্রাম, বেগুন ১টি (ডুমো কাটা), Shalimar's সর্ষের তেল ৫০ গ্রাম, কালোজিরে ১ চা চামচ, Shalimar's Chef Spices হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ, পোস্ত বাটা ৩ চা চামচ, কাঁচালঙ্কা ৩–৪টি, চিনি অল্প, নুন পরিমাণমতো। কীভাবে বানাবেন সজনে ফুল

রোজকার অনন্যা
Feb 201 min read


উচ্ছে, করোলা, নিমপাতা ভাজা ছাড়া আর কী বানানো যায় ভেবে নাজেহাল? স্বাদ বদলাতে বানাতে পারেন এই রান্নাটি। রেসিপি দিলেন সঙ্গীতা তালুকদার।
বাঙালি ভোজনের প্রথমপাতে তেঁতোর বিশেষ গুরুত্ব আছে। ঋতু পরিবর্তনের সময় শরীরকে ভেতর থেকে পরিশুদ্ধ রাখতে নিমপাতা অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করা হয়। সজনে ডাঁটা, নানা সবজি আর ডালের বড়ি দিয়ে তৈরি এই নিম সুক্তো স্বাদে হালকা তেঁতো, কিন্তু ভারসাম্যপূর্ণ ও উপাদেয় গরম ভাতের সঙ্গে একেবারে অনবদ্য। কী কী লাগবে সজনে ডাঁটা ২টি, আলু ১টি, মিষ্টি আলু ১/২টি, বেগুন ১/২টি, কাঁচা পেঁপে ১/২টি, তাজা নিমপাতা ১ গোছা, শুকনো লাল লঙ্কা ১টি, তেজপাতা ২টি, পাঁচফোড়ন ১ চা-চামচ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, লবণ ১ টেবিল

রোজকার অনন্যা
Feb 201 min read


বিকেলের জলখাবার থেকে ইফতার পার্টি, সবেতেই মানানসই এই পদ। রেসিপি দিলেন নীতা দত্ত।
সজনে ফুলের পুষ্টিগুণ আর নানা সবজির সমন্বয়ে তৈরি এই হরা ভরা কাবাব একাধারে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু। পালং শাক, কড়াইশুঁটি, ফুলকপি, গাজর, পনির সব মিলিয়ে এটি এক সম্পূর্ণ নিরামিষ স্ন্যাকস। ভেতরে নরম, বাইরে মচমচে এই কাবাব বিকেলের জলখাবার বা ইফতার টেবিল, দুই ক্ষেত্রেই মানানসই। বাচ্চা থেকে বড় সবাই খুশি মনে খাবে। কী কী লাগবে ফ্রেশ পালং শাক ১ আঁটি, সজনে ফুল ১ কাপ (গরম জলে ভেজানো), খোসা ছাড়ানো কড়াইশুঁটি ১/২ কাপ, গ্রেট করা গাজর ১/২ কাপ, মিহি কাটা ফ্রেঞ্চ বিনস ১/২ কাপ, ফুলকপির ফুল ১/২

রোজকার অনন্যা
Feb 202 min read


সজনে ফুল দিয়ে বড়া খাওয়ার চলই সবথেকে বেশি। তবে তা না চাইলে এই রান্নাটি করে ফেলতে পারেন। রেসিপি দিলেন দুষ্টু বিশ্বাস।
বসন্ত এলেই বাজারে দেখা মেলে সজনে ফুলের। বাঙালি রান্নায় এই ফুলের কদর বহুদিনের। ভাজা, বড়া, চচ্চড়ি নানা রকম পদে এর ব্যবহার আছে। হালকা, কম মশলার রান্না হিসেবে বাটি চচ্চড়ি বিশেষ জনপ্রিয়, কারণ এতে সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে ধিমে আঁচে রান্না করা হয় স্বাদ থাকে স্বাভাবিক ও ঘরোয়া। সজনে ফুলে রয়েছে ভিটামিন সি, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি হজমশক্তি উন্নত করতেও উপকারী এবং ঋতু পরিবর্তনের সময়ে শরীর ভালো রাখতে সহায়তা করে। কী কী লাগবে সজনে ফুল

রোজকার অনন্যা
Feb 201 min read


সজনে ফুলের পোস্ত, চচ্চড়ি, বড়া এসব অনেক তো হলো, এবার বানিয়ে ফেলুন অভিনব এই পদটি। রেসিপি দিলেন সুপর্ণা মণ্ডল।
বসন্তের শেষভাগে সজনে ফুল আর পাতা দু’টিই শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। হালকা তেঁতো স্বাদ, সঙ্গে গন্ধরাজ লেবুর টক আর সরষের তেলের ঝাঁঝ, এই ভর্তা গরম ভাতের সঙ্গে অপূর্ব লাগে। কম মশলায়, পুষ্টিগুণে ভরপুর এই পদ রোজকার রান্নায় এক অন্যরকম সংযোজন। কী কী লাগবে সজনে ফুল ১/২ কাপ, বাদাম ২ টেবিল চামচ, জিরে ১/২ চা চামচ, ধনে ১/২ চা চামচ, সজনে পাতা ১ মুঠো, টাটকা মটরশুঁটি আধ মুঠো, গন্ধরাজ লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, Shalimar's সরষের তেল ২ টেবিল চামচ, শুকনো লঙ্কা ১টি, নুন ও চিনি স্বাদমতো। কীভাবে বানাবেন
rojkarananya
Feb 201 min read


বানানো যেমন সহজ, খেতেও দারুণ! মুচমুচে সজনে ফুলের বড়ার ফুল প্রুফ রেসিপি দিলেন মিতা সরকার।
বসন্তের শেষ আর গরমের শুরুর সময়ে সজনে ফুল বাজারে এলে বাঙালি হেঁশেলে তার কদর আলাদা। হালকা তেঁতো ও মিষ্টি স্বাদের এই ফুল দিয়ে বানানো মুচমুচে পকোড়া বিকেলের জলখাবারে দারুণ লাগে। গরম চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করলে স্বাদ হয় আরও জমজমাট। কী কী লাগবে সজনে ফুল ২ কাপ, চালের গুঁড়ো ২ টেবিল চামচ, বেসন ১/২ কাপ, Shalimar's Chef Spices লঙ্কার গুঁড়ো ১/২ চা চামচ, Shalimar's Chef Spices জিরে গুঁড়ো ১/২ চা চামচ, কালোজিরে ১/৪ চা চামচ, Shalimar's Chef Spices হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ, নুন স্বাদমতো,

রোজকার অনন্যা
Feb 171 min read


যে খাবারে পেট ঠান্ডা রাখে, দুপুরে নরম রোদ মেখে, গরম ভাতে সেসব পদের স্বাদ'ই আলাদা। এমন এক রেসিপি দিলেন সিনাত্রা সেন।
মরশুম বদলের সঙ্গে সঙ্গে খাবারের তালিকাতেও আসে পরিবর্তন। ভারী, ঝাল-মশলাদার রান্নার বদলে এখন মন চায় হালকা, পাতলা ডাল কিংবা কম মশলায় রাঁধা সব্জির ঝোল। পেট ঠান্ডা রাখতে অনেকে সকালবেলা মৌরি ভেজানো জলও খাচ্ছেন। লাউ শাক, কুমড়ো শাক বা তেঁতো দিয়ে ডাল এই সময়ে বেশ উপাদেয় লাগে।এমন সময় বাঙালির হেঁশেলে আর একটি জনপ্রিয় পদ হল মটর ডাল। সব্জি বা শাকপাতা দিয়ে পাতলা করে রাঁধা এই ডাল গরম ভাতের সঙ্গে সত্যিই অমৃতসম। লাউ দিয়ে তো খানই, এ বার একবার মটরশাক দিয়ে বানিয়ে দেখুন, স্বাদে আনবে অন্

রোজকার অনন্যা
Feb 171 min read


অতিথি আপ্যায়ন থেকে প্রতিদিনের মেনুতে, শুক্তো মানেই অলটাইম হিট! রেসিপি দিলেন সুচরিতা মুখার্জি।
শুক্তো বা শুক্তুনি সাধারণত আহারের শুরুতে খাওয়া হয়। পদ্মপুরাণে বেহুলার বিয়ের নিরামিষ খাবারের মধ্যে শুক্তোর উল্লেখ পাওয়া যায়। ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গলেও বাইশ রকমের নিরামিষ পদের মধ্যে শুক্তুনিকে পাওয়া যায়। নানা রকম সবজির মেলবন্ধন, তেঁতো, নোনতা, মিষ্টির সামঞ্জস্যে দুধ শুক্তো হয়ে ওঠে অনন্য। গরমের দিনে হালকা অথচ পুষ্টিকর এই পদ শরীর ঠান্ডা রাখতেও সাহায্য করে। ঘরোয়া রান্নায় একটু যত্ন নিয়ে বানালেই মিলবে আসল স্বাদ। কী কী লাগবে আলু, সজনে ডাঁটা, মিষ্টি আলু, বেগুন, পটল, ঝিঙে, উ

রোজকার অনন্যা
Feb 161 min read


বাঙালির কাছে তেঁতো বলতে মূলত উচ্ছে বা করলা। তাই দিয়ে যদি এই ডাল বানিয়ে দেন চেটেপুটে খাবে সবাই। রেসিপি দিলেন মৌসুমী দাস।
গ্রীষ্মের দুপুরে কিংবা উপোসের দিনের সহজ অথচ রুচিবর্ধক পদ এই তেঁতোর ডাল। উচ্ছে, লাউ ও সোনা মুগ এর অপূর্ব মেলবন্ধনে তৈরি এই পদটি পাতে এনে দেয় হালকা অথচ তৃপ্তিকর অনুভূতি। গরম ভাতের সঙ্গে এর জুড়ি মেলা ভার। এছাড়াও সিজন চেঞ্জের সময় ঠান্ডা, জ্বর, খুসখুসে কাশি কিংবা ফ্লু জাতীয় সংক্রমণ বেড়ে যায়। তাই এই সময় প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে তেঁতো খাবার রাখা জরুরি। উচ্ছে দিয়ে তৈরি তেতোর ডাল শরীর ঠান্ডা রাখে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। সহজ পদ্ধতিতে বানিয়ে নিতে পারেন এই স্বাস্থ্যকর পদ। কী

রোজকার অনন্যা
Feb 141 min read


সপ্তাহ শেষে বাড়িতে মাছ-মাংস-ডিম নেই? বানিয়ে ফেলুন কড়াইশুঁটির ধোকার ডালনা! রেসিপি দিলেন সোমা রায়।
কড়াইশুঁটির ধোঁকার ডালনা গ্রাম বাংলার এক ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া পদ, যা ছোলা ও কড়াইশুঁটির সংমিশ্রণে তৈরি হয়। ছোটবেলায় দুপুরের ভাতের সঙ্গে এই ধোঁকা ডালনা খাওয়া মানেই ছিল বিশেষ আনন্দ। ভেজে ধোঁকার মতো করা ডাল ও আলুর মশলাদার গ্রেভি মিলিয়ে এর স্বাদ একেবারে মনভোলানো। কী কী লাগবে ধোঁকার জন্য: ছোলার ডাল ১ কাপ, কড়াইশুঁটি ১/২ কাপ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, কাঁচালঙ্কা ২টি, গোটা জিরে ১/২ চা-চামচ, Shalimar's Chef Spices হলুদ গুঁড়ো সামান্য, নুন স্বাদমতো, চিনি স্বাদমতো। গ্রেভির জন্য: আলু ২টি (ট

রোজকার অনন্যা
Feb 111 min read


পালংশাকে হরেকরকম পদ হলেও বাঙালি বাড়িতে আলু পালং ঘণ্ট তেমনভাবে প্রচলিত নয়। রেসিপি দিলেন দেবযানী গুহ বিশ্বাস।
আলু-পালংয়ের ঘন্ট গ্রাম বাংলার এক পরিচিত ঘরোয়া পদ, যা ছোটবেলায় রান্নাঘরের সরল অথচ মশলাদার স্বাদের সাথে সবাইকে আকর্ষণ করত। সর্ষের তেল, তিল এবং পোস্তের ঘ্রাণ মিশে আলুর কোমলতা ও পালং শাকের হালকা টানটান স্বাদের সঙ্গে মিলিয়ে একেবারে মনমোহনীয় অভিজ্ঞতা দেয়। এটি শুধু স্বাদে নয়, স্বাস্থ্যকরও যেহেতু তাজা শাক আর আলুতে রয়েছে পুষ্টি ভরপুর। কী কী লাগবে বড় আলু ২টি (ডুমো ডুমো করে কাটা), পালং শাক ২৫০ গ্রাম (ধুয়ে কুচি করা), আদা বাটা ১ চা-চামচ, টমেটো কুচি ১/২ কাপ, কাঁচালঙ্কা কুচি ১ চা-

রোজকার অনন্যা
Feb 111 min read


খুব কম সময়ে, হাতের কাছে থাকা সামান্য কিছু উপকরণে তৈরি করে ফেলুন এই পদটি। রেসিপি দিলেন মৈত্রেয়ী মুখার্জি।
এক সময় গ্রামবাংলার রান্নাঘরে এমন অনেক সহজ পদ ছিল, যেগুলো আলাদা কোনও নাম না পেলেও স্বাদে ছিল ভরপুর। কুমড়োর ভর্তা বা মাখা তেমনই এক পুরোনো দিনের রেসিপি, কম উপকরণে, অথচ মনভোলানো। শিলে বাটা তিল আর লঙ্কার গন্ধে ভরে উঠত দুপুরের ভাতের থালা। আজকের ব্যস্ততার মাঝে সেই হারিয়ে যেতে বসা স্বাদটাকেই আবার একটু ফিরিয়ে আনার চেষ্টা। কী কী লাগবে কুমড়ো ৫০০ গ্রাম (কাটা), Shalimar's সর্ষের তেল ৩ টেবিলচামচ, নুন স্বাদমতো, Shalimar's Chef Spices হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা-চামচ, তিল ২ টেবিলচামচ, কালোজিরে

রোজকার অনন্যা
Feb 101 min read


নিতান্ত অচেনা এই পদটি অভিনব হলেও রাঁধতে তেমন পরিশ্রম কিন্তু নেই। রেসিপি দিলেন মিতা সরকার।
ছোটবেলার স্মৃতিতে ঠাকুমার হাতের রান্না মানেই আলাদা এক ভালোবাসা। পেঁয়াজ রসুন ছাড়াই তৈরি এই পাটশাকের পাতুরি সেই ঘরোয়া স্বাদের এক নিখুঁত উদাহরণ। সরষের তেল, নারকেল আর কাঁচা লঙ্কার মৃদু ঝাঁঝে ভরা এই পদ শুধু খাবার নয়, একেবারে শিকড়ে ফেরার অনুভূতি। কী কী লাগবে পাট শাক ২ আঁটি, Shalimar's সরষের তেল ৫-৬ টেবিলচামচ, কলাপাতা প্রয়োজনমতো, সুতো প্রয়োজনমতো, সাদা সর্ষে বাটা ১ টেবিলচামচ, নারকেল বাটা ১ টেবিলচামচ, কাঁচালঙ্কা কুচি ২টি, নুন স্বাদমতো, চিনি স্বাদমতো, Shalimar's Chef Spices হলু

রোজকার অনন্যা
Feb 101 min read


গরম ধোঁয়া ওঠা ভাত আর সঙ্গে এই ছানা ভাপা থাকলে দুপুরের খাওয়াটা জমে যাবে! রেসিপি দিলেন ঐন্দ্রিলা মজুমদার।
ছানা ভাপা বাঙালি রান্নার এক চিরকালীন প্রিয় নিরামিষ পদ, যেখানে সরষে ও পোস্তর ঝাঁঝালো স্বাদ ছানার কোমলতার সঙ্গে দারুণভাবে মিশে যায়। তেল মশলার ঝঞ্ঝাট ছাড়াই ভাপে রান্না হওয়া এই পদটি হালকা, স্বাস্থ্যকর এবং গরম ভাতের সঙ্গে অসাধারণ লাগে। কী কী লাগবে দুধ ১ লিটার, সাদা সর্ষে ১ চা-চামচ, কালো সর্ষে ১ চা-চামচ, নারকেল কোরা ১ টেবিলচামচ, পোস্ত বাটা ১ টেবিলচামচ, কাঁচালঙ্কা ৪-৫টি, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিলচামচ, Shalimar's সর্ষের তেল ১ টেবিলচামচ, Shalimar's Chef Spices হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা-চামচ,

রোজকার অনন্যা
Feb 71 min read


নিরামিষ মেনুতে রাতের আহারে লুচি, পরোটার সঙ্গে কী বানাবেন ভাবছেন? মুশকিল আসানে সুপর্ণা মন্ডল।
ছানার দম মানেই চেনা বাঙালি স্বাদ, তবে এখানে ভাজা নয়, বেক করা ছানার সঙ্গে মশলাদার ঝোলের মেলবন্ধনে তৈরি হয়েছে একটু হালকা, একটু আধুনিক এক পদ। ঘিয়ের সুবাস, টমেটোর টানটান ঝোল আর মৌরির হালকা সুগন্ধ এই রান্নাকে আলাদা মাত্রা দেয়। ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে পরিবেশন করলে এই বেকড্ ছানার দম হয়ে উঠবে বিশেষ দিনের নিরামিষ আকর্ষণ। কী কী লাগবে জল ঝরানো ছানা ২ কাপ, বড়ো টমেটো ২টি (কুচি), আদা বাটা ১ চা-চামচ, জিরে বাটা ১ চা-চামচ, ধনে বাটা ১ চা-চামচ, গরম মসলা বাটা ১/২ চা-চামচ, Shalimar's Chef Sp

রোজকার অনন্যা
Feb 51 min read


রাজকীয় স্বাদে ভরপুর, নামমাত্র তেলমশলায় রাঁধা এই পদ খেলে মন মজবে সবার। রেসিপি দিলেন মৌসুমী দাস।
বাঁধাকপি দিয়ে নানা ধরনের রান্না হলেও, বাঁধাকপির শুভ্রানী একেবারেই আলাদা স্বাদের এক ঘরোয়া পদ। দুধের শুভ্রতা, ঘিয়ের মোলায়েম সুবাস আর মটরশুঁটির হালকা মিষ্টি স্বাদ মিলিয়ে এই নিরামিষ পদটি গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। সহজ উপকরণে তৈরি হলেও এর স্বাদে রয়েছে পরিপূর্ণতা ও আভিজাত্যের ছোঁয়া। কী কী লাগবে বাঁধাকপি কুচানো ২৫০ গ্রাম, দুধ ১ কাপ, মটরশুঁটি ১/২ কাপ, কালো জিরে ১ চা-চামচ, গোটা গরম মশলা সামান্য, তেজপাতা ২টি, নুন স্বাদমতো, চিনি পরিমাণমতো, ময়দা ২ বড় চামচ, ঘি অথব

রোজকার অনন্যা
Feb 51 min read


গ্রামবাংলার বিখ্যাত এই এক পদেই বাজিমাত হতে পারে। রেসিপি দিলেন নবনীতা ব্যানার্জী বোস।
ওপারবাংলা তথা মফঃস্বলীয় রান্নাঘরের এক পরিচিত পদের নাম এই কচু দিয়ে বানানো নানা পদ। অথচ সময়ের স্রোতে আজ প্রায় হারিয়ে যেতে বসা এক স্বাদ। কচুর নানা পদ থাকলেও মানকচুবাটা বিশেষ করে বাঙাল পরিবারে একসময় ভীষণ জনপ্রিয় ছিল। কাঁচা বাটা কিংবা হালকা ভাজা দু’ভাবেই খাওয়া যায় এই পদ। সহজ উপকরণে তৈরি, অথচ স্বাদে অনন্য এই ঐতিহ্যবাহী রান্নার দুই রকম রেসিপিই এখানে তুলে ধরা হলো। কী কী লাগবে মানকচু ১ কেজি, মাঝারি নারকেল ১টি (কোরানো), কাঁচালঙ্কা ১২-১৩টি (স্বাদ অনুযায়ী), কালো সরষে ১ টেবিলচা

রোজকার অনন্যা
Feb 51 min read
bottom of page




