top of page
Search

গঙ্গা দশমী তিথিতে স্বর্গ থেকে মর্ত্যে আবির্ভূতা হয়েছিলেন দেবী গঙ্গা। এই বিশেষ দিনে গঙ্গাস্নানে কী কী ফল পেতে পারেন চলুন জেনে নিই।




গঙ্গার উদ্দাম প্রবাহ যাতে পৃথিবীকে ধ্বংস না করে, এজন্য এদিন দেবাদিদেব মহাদেব গঙ্গাকে তাঁর জটায় ধারণ করেছিলেন। পরে পৃথিবীমাতার পক্ষে সহনশীল হবে এই গতিতে ধীরে ধীরে তিনি গঙ্গাকে তাঁর জটাজাল থেকে প্রবাহিত করেছিলেন। তাই এই দিন শিবপূজারও বিশেষ চল রয়েছে। এই দিন শিবলিঙ্গকে গঙ্গা জল দিয়ে অভিষেক করলে শিব প্রসন্ন হন এবং ভক্তের মনোবাসনা পূর্ণ করেন বলে বিশ্বাস।

প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে গঙ্গা দশহরার উৎসব পালিত হয় সারা দেশজুড়ে। এবছর গঙ্গা দশহরা পালিত হবে আগামী ১৬ জুন, রবিবার। এদিন দেবী গঙ্গার বিশেষ আচার মেনে আরাধনা করার রীতি রয়েছে। কথিত আছে, গঙ্গা দশহরার দিন কোনও দুঃস্থকে খাদ্য বা বস্ত্র দান করা হলে সেই ব্যক্তি অত্যন্ত সৌভাগ্যের অধিকারী হয়ে থাকেন। গঙ্গা দশহরার দিন শুধু দেবী গঙ্গাকেই নয়, মহাদেবের আরাধনা করাও শুভ। গঙ্গা দশহরার দিনে দান করলে পুণ্য লাভ হয় ও পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদে মোক্ষ লাভ হতে পারে।

শুভ সময়

জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথি ১৬ জুন, ভোর ২ টো ২৩ মিনিটে শুরু হবে ও পরের দিন অর্থাৎ ১৭ই জুন ভোর ৪টে ৪৫ মিনিটে সমাপ্ত হবে। স্নানের জন্য ব্রহ্ম মুহুর্ত শুভ বলে মনে করা হয়। গঙ্গা দশহরার দিন, পুজো করার শুভ সময় সকাল ৭টা ৮ মিনিট থেকে বেলা ১০ টা ৩৭ মিনিট পর্যন্ত।

পুজা পদ্ধতি

এদিন দশ রকম ফল দিয়ে গঙ্গাদেবীর পূজার বিধি। এই দিনে গঙ্গায় স্নান করে গঙ্গাকে দশটি ফুল, দশটি ফল ও দশটি প্রদীপ দিয়ে পুজো করার কথা বলা হয়েছে। দেবী যাতে কর্মফল হরণ করে মুক্তিফল প্রদান করেন, তাই এই ফলদান বিধি। এদিন মনসা পূজাও করতে দেখা যায়। এদিনই আবার বটুকভৈরবের আবির্ভাবতিথি।

কী কী দান করবেন

দেবী গঙ্গা পুজোর পাশাপাশি গঙ্গা দশহরার দিনে কিছু দান করাও শুভ। কোনও অসহায় মানুষকে সাদা কাপড় দান করা সবচেয়ে বেশি শুভ। তাতে জীবনে ঝামেলা দূর করে ও সম্পদ বৃদ্ধি করে। এছাড়াও গম, চাল, ডাল, ঘি ও চিনি দান করা শুভ বলে মনে করা হয়। ধুতি, শাড়ি, কম্বল ইত্যাদিও গরিবদের মধ্যে বিতরন করতে পারেন। পাশাপাশি ফল ও মিষ্টির মধ্যে মরশুমী ফল যেমন আম, কলা, লিচু, তরমুজ, লাড্ডু, বরফি, প্যাড়া ইত্যাদি দান করা শুভ বলে মনে করা হয়।

এইদিন গঙ্গাস্নানের ফল:

শাস্ত্র মতে গঙ্গা স্নান করলে সুখ-সমৃদ্ধির আশীর্বাদ পাওয়া যায়। মনে করা হয় এই তিথিতে গঙ্গা স্নান করলে ১০ ধরনের পাপ নষ্ট হয়। এগুলি হল নিষিদ্ধি হিংসা, পরস্ত্রী গমন, চুরি, কঠোর বাণী, অন্যের ধন আত্মসাৎ করার মানসিকতা, কারও খারাপ করার কথা ভাবা, অপ্রয়োজনীয় কথায় বিবাদ, মিথ্যা বলা, সমালোচনা করা, অন্যের অনিষ্ট করা।

স্নান মন্ত্র-- ওম অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্বাবস্থাং গতোপি বা। যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং সঃ বাহ্যাভন্তরঃ শুচিঃ।।


বকরিদ স্পেশ্যাল রান্না...


সমিতা হালদার

মাটন কালা ভুনা

কী কী লাগবে

মাটন, বেরেস্তা, রসুন বাটা, আদা বাটা, টকদই, নুন, সরষের তেল, পেঁয়াজ কুচি, গোলমরিচ, লঙ্কা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, তেজপাতা, গোটা গরমমশলা, রোস্টেড রাঁধুনি গুঁড়ো, চায়ের লিকার

কীভাবে বানাবেন

মাটন, বেরেস্তা, আদা রসুন বাটা, টকদই আর নুন দিয়ে মেখে রাখুন। অল্প জল দিয়ে প্রেশার কুকারে একটা সিটি দিয়ে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে লাল করে ভাজুন। আদা রসুন বাটা, গোলমরিচ দিয়ে কষুন। ঝোল ছাড়া শুধু মাংস ছেঁকে তুলে ওর মধ্যে দিয়ে ভাজুন। অল্প করে ঝোল দিন আর কষতে থাকুন। তেল ভাসলে ধনে গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো আর বাকি ঝোল দিয়ে ২০-২৫ মিনিট রান্না করুন। অন্য কড়াইতে তেজপাতা, গোটা গরমমশলা, বেরেস্তা, গোলমরিচ, রোস্টেড রাঁধুনি গুড়ো দিয়ে নেড়েচেড়ে মাংসের উপর ঢেলে দিতে হবে। রং না এলে চায়ের লিকার দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ফোটালেই রং এসে যাবে।

আলু আর পেঁপে দিয়ে মুরগীর মাংস


কী কী লাগবে

মুরগীর মাংস, টকদই, পেঁপে, আলু, আদা বাটা, রসুন বাটা, কাশ্মিরী লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, সরষের তেল, তেজপাতা, ছোট এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি, পেঁয়াজ কুচি, টমেটো কুচি, নুন, চেরা কাঁচা লঙ্কা

কীভাবে বানাবেন

মাংসে টকদই, আদা রসুন বাটা, কাশ্মিরী লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো মেখে রাখুন একঘন্টা। তেল গরম করে তেজপাতা, গোটা গরমমশলা ফোড়ন দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, টমেটো কুচি, নুন, হলুদ গুঁড়ো দিয়ে মজতে দিন। মেখে রাখা মাংস দিয়ে কষুন। তেল ছাড়লে আগে থেকে ভেজে রাখা পেঁপে আর আলু দিয়ে আঁচ কমিয়ে ঢেকে রান্না করুন ১০ মিনিট। গরম জল, চেরা কাঁচা লঙ্কা, নুন, চিনি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। অন্য প্যানে ঘি গরম করে শুকনো লঙ্কা আর থেঁতো করা গরমমশলা নেড়ে মাংসে ঢেলে স্ট্যান্ডিং টাইমে রাখুন ১০ মিনিট। ভাত অথবা রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

বাদাম ফিরনি


কী কী লাগবে

ফুল ক্রিম দুধ, মিল্ক মেড, গোবিন্দভোগ অথবা বাসমতী চাল, আমন্ড, চিনি গুঁড়ো, কেশর/ এলাচ গুঁড়ো, শুকনো গোলাপের পাপড়ি

কীভাবে বানাবেন

দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন। ভিজিয়ে জল ঝরানো চাল আর ভিজিয়ে খোসা ছাড়ানো আমন্ড অল্প দানা দানা থাকবে এমন ভাবে বেটে নিন। দুধ ঘন হলে মিল্ক মেড আর চাল বাটা দিয়ে নাড়তে থাকুন। গুঁড়ো চিনি দিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন। হয়ে গেছে বুঝলে কেশর অথবা এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে মাটির কিংবা সেরামিকের বাটিতে সেট হতে দিন। ওপর থেকে কেশর, বাদাম কুচি, শুকনো গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে ইচ্ছে মতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন বাদাম ফিরনি।

ভাপা সন্দেশ


কী কী লাগবে

দুধ, ছানা কাটানোর জন্য টকদই, কর্নফ্লাওয়ার, মিল্ক মেড, এলাচ গুঁড়ো, পেস্তা গুঁড়ো, কাজুবাদাম গুঁড়ো, ঘি

কীভাবে বানাবেন

দুধ জ্বাল দিয়ে তারমধ্যে টকদই দিয়ে ছানা কেটে নিন। ভালো করে ধুয়ে মলমল কাপড়ে বেঁধে জল ছড়িয়ে নিন। এবার এই ছানার মধ্যে ঘি বাদে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিন। কেক টিনে ঘি মাখিয়ে এই মিশ্রন দিয়ে মোমো স্ট্যান্ডে দিয়ে স্টিম করে নিন। ২-৩ ঘন্টা ফ্রিজে রেখে টুকরো করে কেটে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন ভাপা সন্দেশ।

মাংসের লাল ঝোল


কী কী লাগবে

মাংস ৫০০ গ্রাম, দই ১৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ২০০ গ্রাম, রসুন আদা কাশ্মীরি লঙ্কা বাটা ৩ চামচ, জিরা বাটা ১ চামচ, এলাচ বাটা ১চামচ, গোটা গরম মশলা ১/২ চামচ, তেজপাতা ২-৩টি, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ, নুন স্বাদমতো, ঘি ২ চামচ, সরষের তেল পরিমাণমতো।

কীভাবে বানাবেন

মাংসে দই ও ২ চামচ তেল মেখে ৩০ মিনিট রেখে কুকারে সেদ্ধ করে নিতে হবে। কড়াতে তেল গরম করে নিয়ে গোটা গরম মশলা, তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুচি লাল করে ভাজতে হবে। এবার ওর মধ্যে মাংস, নুন, হলুদ গুঁড়ো, আদা রসুন কাশ্মীরি লঙ্কা বাটা ও বাকি মশলা দিয়ে কষতে হবে। পরিমাণ মতো গরম জল দিয়ে ৪৫ মিনিট অল্প আঁচে ঢেকে রান্না করুন। এলাচ বাটা ও ঘি মিশিয়ে নামিয়ে নিলেই তৈরী।

চিলি অয়েল নুডুলস উইথ মিন্সড্ ল্যাম্ব


কী কী লাগবে

১৫০ গ্রাম এগ নুডুলস, ২ টেবিল চামচ তেল,

৩ কোয়া রসুন কুচি করে কাটা,

২ টি পেঁয়াজ শাক সবুজ এবং সাদা অংশ আলাদাভাবে কাটা, ৩ চা চামচ চিলি ফ্লেক্স,

২ চা চামচ ডার্ক সয়া সস, ১ টেবিল চামচ লাইট সয়া সস, ১ চা চামচ রাইস ভিনিগার, আধ চা চামচ ব্রাউন সুগার, ২ চা চামচ তিলের তেল, ১০০-১৫০ গ্রাম মাংসের কিমা, দেড় চা চামচ ওয়েস্টার সস, ১ চা চামচ রসুন কুচি, ১ চা চামচ শা মরিচ গুঁড়ো, স্বাদমতো নুন, ২ চা চামচ সাদা তেল, ১ টা সেদ্ধ ডিম ২ টুকরো করা,

১ টেবিল চামচ পেঁয়াজ শাকের কুচি



কীভাবে বানাবেন

মাংসের কিমা বাকি উপকরণ দিয়ে ম্যারিনেট করে রাখুন ১ ঘন্টা মত। তারপরে সাদা তেল গরম করে মাঝারি আঁচে ভেজে নিন। নুডলস সেদ্ধ করে নিন। চিলি অয়েল বানানোর জন্য, অন্য একটি প্যানে তেল গরম করুন। মাঝারি আঁচে রসুন, সবুজ পেঁয়াজের সাদা অংশ, চিলি ফ্লেক্স যোগ করুন। রসুন সোনালি না হওয়া পর্যন্ত এবং সবুজ পেঁয়াজ ক্রিস্পি না হওয়া পর্যন্ত রান্না করে নামিয়ে নিন। ১/২ কাপ জল, ডার্ক সয়া সস, লাইট সয়া সস, রাইস ভিনিগার, তিলের তেল, ব্রাউন সুগার এবং পেঁয়াজ শাকের সবুজ অংশ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

এই সসটি নুডলস সেদ্ধ করার সময় করার চেষ্টা করুন যাতে আপনি অবিলম্বে গরম নুডলস মেশাতে পারেন। সসটি ভালো ভাবে নুডলসের মধ্যে টস করে একটি প্লেটে ঢেলে নিন। উপরে ভাজা কিমার মিশ্রনটি ছড়িয়ে, ডিম সেদ্ধ আর স্প্রিং অনিয়ন কুচি দিয়ে গার্নিশ করে পরিবেশন করুন।

মোদুর পুলাও


কী কী লাগবে

১ কাপ বাসমতি চাল, ১/৩ কাপ চিনি, ৪ টেবিল চামচ ঘি, ৩ টি তেজপাতা, ১০ টি লবঙ্গ, ১ ইঞ্চি দারচিনি স্টিক, ১০ টি সবুজ এলাচ, ১/২ চা চামচ গোলমরিচ, ১/৪ চা চামচ জাফরান, ১/৪ কাপ কুচোনো খেজুর, ব্লাঞ্চ করা কুচোনো বাদাম, কাজুবাদাম, কিশমিশ, ১/৪ কাপ নারকেল কুচি, স্বাদমতো লবণ, ৩ কাপ জল

কীভাবে বানাবেন

চাল ভালো করে ধুয়ে আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে, জল ঝরিয়ে নিন। একটি ছোট পাত্রে ১ টেবিল চামচ জলে জাফরান ভিজিয়ে রাখুন। সামান্য ঘিতে নারকেল কুচি হালকা ভেজে রাখুন।একটি ছোট সসপ্যানে ২ কাপ জল ফুটতে দিন। চাল দিয়ে আধ সেদ্ধ হলে জল ঝরিয়ে নিন।

একটি নন-স্টিক কড়াইয়ে মাঝারি আঁচে ঘি গরম করে একে একে লবঙ্গ, তেজপাতা, দারচিনি, এলাচ এবং গোলমরিচ দিন। চিনি আর আধ কাপ জল দিয়ে সম্পূর্ণ গলে না যাওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। আধ সেদ্ধ ভাত দিয়ে নাড়তে থাকুন। এবার এতে কাটা খেজুর, কিশমিশ, বাদাম, ভাজা নারকেল কুচি এবং কাজুবাদাম দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। চালের উপরে জাফরান ভেজানো জল ও স্বাদমতো লবণ ছড়িয়ে দিন। প্যানটি ঢেকে কম আঁচে ২০-২৫ মিনিট রান্না করুন। মাঝে মাঝে নাড়তে ভুলবেন না। সুন্দর গন্ধ ছাড়লে গরম গরম পরিবেশন করুন।

বাসা ইন চিলি অয়েস্টার সস


কী কী লাগবে

বাসা মাছের ফিলেট ৪০০ গ্রাম, ১ মাঝারি মাপের ক্যাপসিকাম চৌকো করে কেটে নেওয়া, ২ টি মাঝারি পেঁয়াজ বড় টুকরো করে নেওয়া, ৬ টি কাঁচালঙ্কা টুকরো করা, ৮ কোয়া রসুন মিহি কুচি করা,

১/২ চামচ আদা কুচি, ১ কাপ সাদা তেল + ২ টেবিল চামচ সাদা তেল, সাজানোর জন্য পেঁয়াজ শাকের সবুজ অংশ কুচোনো

ম্যারিনেশনের জন্য:

২ টি ডিমের সাদা অংশ, ৩ টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার জলে গোলা, ১ চা চামচ অয়েস্টার সস, ১/২ টেবিল চামচ শা মরিচ গুঁড়ো

সসের জন্য:

২ টেবিল চামচ অয়েস্টার সস, ১ টেবিল চামচ রেড চিলি সস,

১/২ টেবিল চামচ চিনি, ২ টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার



কী কী লাগবে

বাসা ফিশ ফিলেট ২ ইঞ্চি মাপের টুকরো করে ম্যারিনেশনের সমস্ত উপকরণ দিয়ে আধঘন্টা মেখে রাখুন। কড়াইয়ে ১ কাপ সাদা তেল গরম করে ফিলেটের টুকরো গুলি ভেজে তুলে নিন। অন্য একটি কড়াইয়ে ২ টেবিল চামচ সাদা তেল গরম করে, রসুন কুচি দিন। সামান্য রং ধরলে আদা কুচি, টুকরো করে কাটা ক্যাপসিকাম দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে, পেঁয়াজের টুকরোগুলি দিয়ে হালকা নরম হলেই সসের সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ নেড়ে জলে গোলা কর্নফ্লাওয়ার দিন। একটু মিশিয়ে নিয়েই মাছের টুকরো আর লঙ্কা কুচি দিয়ে সবকিছু ভালো করে মিশিয়ে ওপরে পেঁয়াজশাক কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।

গানদে কোক্কুর


কী কী লাগবে

১ কেজি মুরগি বড় টুকরো করে কাটা, দেড় খানা বড় আকারের পেঁয়াজ মিহি করে কাটা,

২ টেবিল চামচ সরষের তেল, ৩ কাপ জল, ২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, স্বাদ অনুযায়ী লবণ, ২ চা চামচ লাল লঙ্কা গুঁড়ো, ১ চা চামচ মৌরি গুঁড়ো,

১ টি কালো এলাচ, ১ টি লবঙ্গ, ৫-৬ টি সবুজ এলাচ, ১ টি দারচিনি স্টিক

কীভাবে বানাবেন

মুরগির মাংস ধুয়ে রান্নাঘরের তোয়ালে দিয়ে শুকনো করে নিন। একটি কড়াইয়ে জল গরম করুন। মুরগির টুকরো, নুন এবং ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো দিন। কিছুক্ষণ ফুটতে দিন। মুরগির টুকরোগুলো তুলে একপাশে রাখুন। চিকেন স্টক ছেঁকে নিন। কড়াইয়ে সরষের তেল গরম করে মুরগির টুকরোগুলো ভেজে তুলে নিন।

একই তেলে লবঙ্গ, দারচিনি এবং বড় এলাচ দিন। এক মিনিট ভাজুন। মিহি করে কাটা পেঁয়াজ দিয়ে ভাজুন যতক্ষণ না ক্যারামেলাইজড হওয়া শুরু করে। সবুজ এলাচ, নুন, লাল লঙ্কাগুঁড়ো, মৌরি গুঁড়ো এবং হলুদ গুঁড়ো যোগ করুন। ভালো করে মশলা কষা হয়ে গেলে ১/৪ কাপ চিকেন স্টক দিন।ফুটে উঠলে, মুরগির টুকরো মিশিয়ে ভালো করে নাড়ুন। গ্রেভি ঘন হয়ে এলে পরিবেশন করুন।

মরিচ মাংস


কী কী লাগবে

৫০০ গ্রাম মাটন, ১ টেবিল চামচ রসুন বাটা, ৬ টি শুকনো কাশ্মীরি লঙ্কা, ৬ টি শুকনো লঙ্কা, টকদই ১৫০ গ্রাম, ১ চামচ কাশ্মীরি লঙ্কাগুঁড়ো, ১ চামচ জিরে গুঁড়ো, সাদা তেল ২ টেবিল চামচ, ঘি ৩ টেবিল চামচ, নুন স্বাদ মতো

কীভাবে বানাবেন

মাংসে রসুন বাটা, টকদই, কাশ্মীরি লঙ্কাগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো আর নুন মাখিয়ে সারারাত ম্যারিনেড করে রাখুন। তিনটি শুকনো লঙ্কা টুকরো করে নিন আর বাকি তিনটি থেকে বীজ বার করে রাখুন।

কুকারে তেল এবং ঘি গরম করুন। এতে শুকনো লঙ্কা আর গোটা কাশ্মীরি লঙ্কা দিয়ে দিন। হালকা ভাজা হলেই এতে ম্যারিনেট করা মাংসটা দিয়ে লঙ্কাগুলোর সাথে মিশিয়ে দিন। একটু ঢাকা দিয়ে কিছুক্ষণ মাংসটা নরম আঁচে রান্না করুন। কিছুটা গরম জল প্রেশার কুকারে দিয়ে প্রেশার কুকারের ঢাকা আটকে চারটে থেকে পাঁচটা সিটি দিন। তৈরি হয়ে গেলে ওপরে ঘি আর ভাজা দু একটি শুকনো লঙ্কা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

ডিমের হালুয়া


কী কী লাগবে

৭৫০ মি.লি. ঘন দুধ, ৪ টি ডিম, ৪ টেবিল চামচ ঘি, ২ টি তেজপাতা, ৮ টি ছোট এলাচ, আধ কাপ ক্রিম, আধ কাপ কনডেন্সড মিল্ক, ৩ টেবিল চামচ চিনি, হলুদ খাবারের রং, ১ চিমটে জাফরান, ১/২ কাপ কাজু এবং কিশমিশ

কীভাবে বানাবেন

ছোট এলাচ খোসা ছাড়িয়ে বীজ গুঁড়ো করে রাখুন। একটা বড় বাটিতে ডিম ফেটিয়ে নিন। দুধ, ক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক ও খাবারের রঙ মিশিয়ে ভালোভাবে ফেটান। অন্য একটি ভারী সসপ্যানে ঘি নিয়ে গরম করুন। কাজুবাদাম ও কিশমিশ দিয়ে হালকা ভেজে তুলে নিন। ঘি তে তেজপাতা ছাড়ুন। আঁচ কমিয়ে দিন এবং দুধ ডিমের মিশ্রণটি ঢেলে হালকা আঁচে ফোটাতে থাকুন। তাপমাত্রা কম রেখে সমানে নাড়তে থাকুন। আস্তে আস্তে এটি প্রথমে কাস্টার্ডের মতন দেখতে হয়ে যাবে। তারপর নাড়তে থাকলে ক্রমশ দানা দানা হয়ে উঠবে। এই সময় চিনি, এলাচ গুঁড়ো, ভাজা কাজুবাদাম কিশমিশ আর জাফরান সামান্য গরম দুধে মিশিয়ে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। যখন দুধ আর জল পুরোপুরি শুকিয়ে ঘি পাশ ছেড়ে যাবে, তখন নামিয়ে ঠাণ্ডা হলে পরিবেশন করুন ডিমের হালুয়া।

আমড়া সুজির অম্বল


কী কী লাগবে

৬-৮ টা কচি আমড়া খোসা ছাড়ানো, ২ টেবিল চামচ সুজি, ৪ টেবিল চামচ নারকেল কোরা, ৩ টেবিল চামচ চিনি, ১ টেবিল চামচ কিশমিশ, ৪-৫ টা গন্ধরাজ লেবুর পাতা, ১ চা চামচ পাঁচফোড়ন, ১ টেবিল চামচ সাদা তেল, সামান্য নুন



কীভাবে বানাবেন

আমড়াগুলো সামান্য নুন আর ২ কাপ মতো জল দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। নরম হয়ে ঠান্ডা হয়ে গেলে ওই জলের মধ্যেই সামান্য চটকে নিন। পাত্রে সাদা তেল গরম করে তাতে পাঁচফোড়ন ছেড়ে দিন। গন্ধ বেরোলে কিশমিশ আর সুজি দিয়ে দিন। সুজি হালকা রং ধরলেই অর্ধেক নারকেল কোরা দিয়ে দিন। একটু ভেজে নিয়ে আমড়াসহ জলের মিশ্রণটি আর সাথে চিনি দিয়ে দিন। প্রয়োজন পড়লে আর একটু জল দিতে পারেন। ফুটে হালকা ঘন হলেই লেবু পাতা দিয়ে আঁচ বন্ধ করে দিন। পরিবেশনের আগে বাকি নারকোল কোরা উপরে ছড়িয়ে দেবেন। খেয়াল রাখবেন অম্বল যেন ঘন না হয়ে যায়।

বাংলাদেশের জালি কাবাব


কী কী লাগবে

কাবাবের জন্য: ২৫০ গ্রাম মাটন কিমা, পাউরুটির স্লাইস ১টি ভেজানো, পেঁয়াজ ভাজা ৩ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধ চা চামচ, কাঁচা পেঁপে বাটা ১ চা চামচ, লাল লঙ্কা গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ, স্পেশাল কাবাব মসলা ১ চা চামচ (শুকনো জিরে, আস্ত ধনে, শুকনো লাল লঙ্কা, কাবাবচিনি (ঐচ্ছিক), গোলমরিচ, লবঙ্গ, মৌরি এবং জায়ফল একসাথে গুঁড়ো করে নেওয়া), মিহি করে কাটা পুদিনা পাতা ১ টেবিল চামচ, মিহি করে কাটা ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ, কাঁচা লঙ্কা কুঁচি স্বাদমতো, ১ টি ডিম,নুন আন্দাজ মত

ডিমের জালির জন্য: ২ টি ফেটানো ডিম, বিস্কুটের গুঁড়ো, পরিমাণ মতো সাদা তেল ভাজার জন্য

কীভাবে বানাবেন

তেল এবং ডিমের জালি তৈরীর জন্য উল্লেখিত উপকরণ ছাড়া বাকি সব একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। কিছু ঘন্টা অথবা সারারাত ফ্রিজে রাখুন।

ওই মিশ্রন থেকে লেচি কেটে চ্যাপ্টা মাঝারি মাপের কাবাব গুলো গড়ে নিন। এবার কাবাব এর গায়ে বিস্কুটের গুঁড়ো মাখিয়ে নিন ভালো করে এবং আধ ঘন্টার জন্য ফ্রিজে রাখুন।

পাত্রে তেল গরম করুন এবং দুটো তিনটে করে কাবাব ডিমের গোলায় ডুবিয়ে ডিপ ফ্রাই করুন। আপনার হাতে কিছুটা ডিমের মিশ্রণ নিন এবং হালকাভাবে বৃত্তাকার গতিতে তেলে ছিটিয়ে দিন যাতে জালি তৈরি হয়। একটি কাঁটা দিয়ে এই ডিমের জালি কাবাব গুলোর গায়ে জড়িয়ে দিন। ভাজা হয়ে গেলে তুলে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

Comments


bottom of page