খেজুর গুড় আর তিলের সুগন্ধে ভরা চন্দ্রাকৃতি তিল চন্দ্রকলা পিঠা শীতের পিঠে-পার্বণের এক অনন্য আনন্দ। রেসিপি দিলেন রিঙ্কু মিত্র।
- রোজকার অনন্যা

- Jan 12
- 1 min read

যারা হারিয়ে যাওয়া, প্রায় বিস্মৃত রান্নার খোঁজে থাকেন এই রান্না টি তাদের জন্য। তিল চন্দ্রকলা পিঠে এমন এক পুরোনো স্বাদ, যা আজকাল খুব কমই দেখা যায়। বানাতে কঠিন নয়, তবে একটু যত্ন আর ধৈর্য দরকার। নরম চালের আবরণ, ভেতরে সুগন্ধি তিল-নারকেলের পুর আর দুধে সেদ্ধ হয়ে ওঠা মিষ্টি রস সব মিলিয়ে এই পিঠে যেন একেবারে অন্য সময়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায়!
কী কী লাগবে
চালের গুঁড়ো পরিমাণমতো, গরম জল প্রয়োজনমতো, সাদা তিল পরিমাণমতো, ঘি অথবা তেল সামান্য, ছোট করে কাটা নারকেল, কাজু কুচি, কিশমিশ পরিমাণমতো, দুধ প্রয়োজনমতো, চিনি বা গুড় স্বাদমতো, গুঁড়ো দুধ (ঐচ্ছিক), এলাচ গুঁড়ো এক চিমটি।

কীভাবে বানাবেন
চালের গুঁড়ো গরম জল দিয়ে খুব ভালো করে ঠেসে ঠেসে মেখে নিন। যত ভালো মাখবেন, পিঠে তত নরম হবে। সুতির কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন। কড়াইয়ে সামান্য ঘি অথবা তেল দিয়ে কম আঁচে সাদা তিল নাড়ুন। সুগন্ধ বেরোলেই নামিয়ে রাখুন। একই কড়াইয়ে নারকেল, কাজু ও কিশমিশ হালকা ভেজে ঠান্ডা করে শুকনোভাবে বেটে নিন।
চালের মণ্ড থেকে লেচি নিয়ে বড় রুটির মতো বেলে কাটার বা বোতলের ঢাকনা দিয়ে গোল করে কাটুন। একটি গোল চাকতির মাঝখানে পুর দিন, চারপাশে জল লাগিয়ে আরেকটি চাকতি দিয়ে ঢেকে চেপে বন্ধ করুন। কাঁটা বা হাতে নকশা করে নিন। দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করুন। চিনি (বা অল্প গুড়) মেশান, চিনি দিলে স্বাদ ভালো হয়। পিঠেগুলো সাবধানে দুধে ছেড়ে দিন। ফুটতে দিন। বাকি পুর বা সামান্য গুঁড়ো দুধ যোগ করতে পারেন। শেষে এলাচ গুঁড়ো দিয়ে ১৫ মিনিট পর গ্যাস বন্ধ করুন। ঢেকে কিছুক্ষণ রেখে গরম বা ঈষদুষ্ণ পরিবেশন করুন।








Comments